Breaking News

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download এই বিষয় নিয়ে আজকের এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। প্রিয় পাঠক বৃন্দ, খুবই সহজ উপায়ে কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করা যায় সে বিষয়টি আপনাদের জানিয়ে দেব। আর এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনার আইডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে পারবেন। আবার অনেকেই প্রশ্ন করে নতুন ভোটার আইডি কার্ড কিভাবে দেখবো, কিভাবে অনলাইনের মাধ্যমে নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করব। আপনাদের মনে থাকা এনআইডি কার্ড সম্পর্কে সকল তথ্য পেয়ে যাবেন।

অনেকেই আছে যারা বিভিন্ন কাজে ভোটার আইডি কার্ডটি ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু আপনারা হয়তোবা কোন কারনে ভোটার আইডি কার্ডটি হারিয়ে ফেলছেন। আবার অনেকেই নতুন করে ভোট তুলছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনি কি করবেন? এরকম সকল প্রশ্নের উত্তর আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটটি মূলত আপনাদের সেবার জন্য নির্মিত করা হয়েছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব আপনাদের সঠিক তথ্য জানিয়ে উপকার করার। বিভিন্ন কারণে জাতীয় পরিচয় পত্রে পরিবর্তন আসতে পারে। আপনি যদি আমাদের এই পোস্টটি পরে যদি নিয়ম অনুসরণ করে সকল না হন তাহলে এনআইডি (NID) হেল্প লাইন নাম্বারে কল করুন। হেল্পলাইন নাম্বারটি হল-১০৫।

একজন বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে তার আইডেন্টিফাই নির্ভর করে তার ভোটার আইডি কার্ডের উপর। আর এই ভোটার আইডি কার্ডটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, যা আমাদের ধারণার বাহিরে। কারণটা হচ্ছে যে, আপনি যদি কোন চাকরি-বাকরি, বিভিন্ন কাজকর্মে, বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে, বিভিন্ন সরকারি ভাতা পেতে ইত্যাদি আনুষাঙ্গিক কাজে ভোটার আইডি কার্ডটির প্রয়োজনীয়তা অনেক। নতুন কোন চাকরিতে জয়েন করার ক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে ভোটার আইডি কার্ডটির কপি লাগবে।

যারা ভোটার হওয়ার জন্য ছবি তুলছেন কিন্তু ভোটার আইডি কার্ডটি কিংবা এনআইডি কার্ড টি পাননি? আপনারা চাইলে ভোটার নিবন্ধন ফরমেট স্লিপ নম্বরটি ব্যবহার করে কিন্তু এনআইডি কার্ডের অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি ভোটার হয়ে থাকে এনআইডি কার্ডটি পেয়ে থাকেন কোনক্রমে দেখছেন যে এনআইডি কার্ডটি হারিয়ে গেছে। আর এমন পরিস্থিতিতে আপনার যদি কোথাও ভোটার আইডি কার্ডের অনলাইন কপিটি দিয়ে থাকেন কিংবা যে নম্বরটি আছে এনআইডি কার্ডে সে নম্বরটি যদি আপনাদের মুখস্ত থাকে বা লেখা থাকে তাহলে কিন্তু এই পদ্ধতি অনুসরণ করে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। আর এই নিয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই।

অনলাইনের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করার উপায় ২০২৩

  • পদ্ধতি: ১_ অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন

প্রথমেই জানুন কারা কারা এনআইডি অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র টি পাওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। যারা জাতীয় পরিচয় পত্র পেয়েছেন তারা সংশোধন কিংবা ডুপ্লিকেট কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন। যারা ইতিপূর্বে ই নিবন্ধন করছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্র টি হাতে পাননি, তারা চাইলে একাউন্টে রেজিস্ট্রেশন করে ডাউনলোড অপশন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র ের প্রতিটি সংগ্রহ করতে পারবেন। আর যাদের জাতীয় পরিচয় পত্র টি নেই তারা নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য অন্য একটি পেজ থেকে আবেদন করতে পারবেন।

অর্থাৎ আপনি যদি ভোটার হয়ে থাকেন রেজিস্ট্রেশন করে অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয় পত্র টি ডাউনলোড করার সুবিধাটি নিতে পারেন। আর আপনি যদি ভোটার হওয়ার জন্য ইতিপূর্বেই ফরম পূরণ করে ছবি তুলে থাকেন কিন্তু এনআইডি কার্ডটি হাতে পাননি সেক্ষেত্রে এই সেবার মাধ্যমে অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য ছবি তুলে থাকেন অথবা জাতীয় পরিচয় পত্র পেয়ে থাকেন তাহলে অনলাইনের মাধ্যমে এনআইডি ডাউনলোড সেবায় রেজিস্ট্রেশন করতে নিচের দেওয়া পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন।

এখানে আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমার নিজের এনআইডি কার্ড দিয়ে আপনাকে সমস্ত বিষয় জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতেছি। আর এজন্য আপনাকে এই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে একটি ইন্টারফেস পাবেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

এখানে আপনারা দেখতে পারছেন

জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার/ফর্ম নম্বর: আর এই ড্যাশবোর্ডে আপনার যদি জাতীয় পরিচয় পত্র টি থেকে থাকে তাহলে তার নম্বরটি দিয়ে দিন। আর যদি আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র টি তোলেননি। আপনি যে ভোটার হয়েছেন তার একটা স্লিপ কিন্তু আপনার কাছে রয়েছে। আর এই স্লিপি প্রদত্ত নম্বরটি এখানে বসিয়ে দিন।

জন্ম তারিখ: জন্ম তারিখের ঘরে ভোটার হওয়ার জন্য যে জন্ম তারিখটি ব্যবহার করছেন। সে অনুযায়ী এখানে প্রথমেই দিন, তারপর মাস এবং পরবর্তীতে বছর লিখে সিলেক্ট করুন।

ক্যাপচা অপশন: আর এই ক্যাপচা অপশনে ওপরে উল্লেখিত যে লেখাগুলো রয়েছে সেগুলো সঠিকভাবে বসিয়ে দিন। আর সর্বশেষ আপনারা সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

পরবর্তীতে আরেকটি নতুন ইন্টারফেস আপনাদের সামনে আসবে। আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমরা সেই ইন্টারফেসটি এখানে তুলে ধরছি।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

উপরে দেখতে পারতেছেন বর্তমান ঠিকানা: এই বর্তমান ঠিকানা আপনাকে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।

বিভাগ: আপনি যে বিভাগে বসবাস করতেছেন। সেই বিভাগটি এখানে সিলেক্টেড করে দিতে হবে।

জেলা: যে বিভাগের আওতাভুক্ত যে জেলায় বসবাস করতেছেন তা এখানে সিলেক্টেড করে দিতে হবে।

উপজেলা: এখানে আপনার উপজেলার নামটি দিতে হবে।

স্থায়ী ঠিকানা: আপনি যদি বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী আপনার স্থায়ী ঠিকানা হয় তাহলে উপরে উল্লেখিত তথ্য দিয়ে স্থায়ী ঠিকানা ড্যাশবোর্ড গুলো পূরণ করুন।

এরপর আপনি ‘পরবর্তী’ বাটনে ক্লিক করুন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

আর এই ইন্টারফেসটিতে আপনি দেখতে পারবেন। আপনার মোবাইল নম্বরটি। আপনার মোবাইল নম্বরটি যদি কোনক্রমে হারিয়ে ফেলেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। এখানে আপনি চাইলে কিন্তু মোবাইল নম্বরটি পরিবর্তন করতে পারেন মোবাইল পরিবর্তন অপশনে গিয়ে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

বার্তা পাঠান: এই অপশনে ক্লিক করুন। আপনার ফোনে একটি ছয় সংখ্যার কোড গিয়েছে। আর এই কোডটি এখানে বসিয়ে দিয়ে সামিট বাটনে ক্লিক করুন।

২০২৩ এসে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। আপনি যে, ছয় সংখ্যার ওটিপি কোডটি দিলেন তাই এখানে পরিপূর্ণভাবে বসিয়ে আরো একটি ইন্টারফেস এ আপনাকে নিয়ে যাবে। আর সেখানে একটি কিউআর কোড (QR) থাকবে। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাইল ফোন থেকে গুগল প্লে স্টোরে যেতে হবে। আর সেখানে গিয়ে (NID Wallet) এই অ্যাপসটি ডাউনলোড করতে হবে এবং ইন্সটল করতে হবে। ইনস্টল যখন কমপ্লিট হবে তখন আপনি এই apps এর মাধ্যমে উপরোক্ত ফর্মে যে কেউ আর কোডটি (QR) রয়েছে তা স্কান করতে হবে। আর এসব কাজ না করলে পরবর্তী কোন ইন্টারফেস আপনাকে নিয়ে যাওয়া হবে না।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

উপরের মত একটি ইন্টারফেস পাবেন। আর এখানে আপনাকে “সেট পাসওয়ার্ড” অপশনে ক্লিক করতে হবে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

পরবর্তী আরেকটি ইন্টারপেস পাবেন। তা দেখতে উপরের চিত্রের মত।

ইউজার নেম: এখানে ইউজার নেমটি দিতে হবে।

পাসওয়ার্ড: আপনার ইচ্ছামত একটি সুন্দর পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

পুনরায় পাসওয়ার্ড লিখুন: উপরের ড্যাশবোর্ডে যে পাসওয়ার্ডটি দিয়েছেন। আবার এখানে রি টাইপ করুন।

পরবর্তীতে আপনি আপডেট অপশনে ক্লিক করুন।

আর এই ইন্টারপ্রেসে আপনি আপনার সমস্ত তথ্য দেখতে পারবেন। আপনি যেসব তথ্য নিবন্ধন করার জন্য অর্থাৎ ভোটার হওয়ার জন্য ব্যবহার করছেন সেসব তথ্য এখানে দেখতে পারবেন। এমনকি এখানে আপনার ছবি সহ দেখতে পারবেন ধন্যবাদ।

  • পদ্ধতি ২ _ এন আই ডি লগইন, NID login

উপরের যে এক নম্বর পদ্ধতিটিতে আলোচনা করলাম। এসব তথ্য যদি আপনি সঠিকভাবে দিয়ে থাকেন। তাহলে আপনি এই লিংকে ভিজিট করুন https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/ । নিচের ইন্টারফেস এর মত একটি ফরম দেখতে পারবেন।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর অথবা ইউজারনেম: আর এই অপশনে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নাম্বার কিংবা আপনি যে ইউজার নেমটি ব্যবহার করছেন তা এখানে সঠিকভাবে দিন।

পাসওয়ার্ড: আপনি যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করছেন তা এখানে দিয়ে দিন।

ক্যাপচা: ছবিটিতে প্রদর্শিত যে লেখাগুলো রয়েছে তা এখানে দিয়ে লগইন অপশনে ক্লিক করুন।

পরবর্তীতে আপনি আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সমস্ত তথ্য দেখতে পারবেন।

বিশেষ সতর্কতা: যে অপশন গুলো রয়েছে তা আপনারা সঠিকভাবে পূরণ করুন। কারণ: ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে আপনার একাউন্টটি ব্লক হয়ে যেতে পারে তাই সাবধান থাকবেন।

  • পদ্ধতি: ৩_ জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড অর্থাৎ এন আই ডি কপি ডাউনলোড

আর আপনি যদি জাতীয় পরিচয় পত্রটি ডাউনলোড করে নিতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করুন এই অপশনে ক্লিক করতে হবে।

অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার উপায় 2023 । nid card download-bdtipsnet.com

যখনই আপনি ডাউনলোড অপশন এ ক্লিক করবেন তখন এই আপনার এনআইডি কার্ড টি ডাউনলোড হয়ে যাবে। আপনি চাইলে এনআইডি কার্ডটি অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র টি পিডিএফ ফরমেটে কিংবা বিভিন্ন ফরমেটে ডাউনলোড করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয় পত্র ডাউনলোড করুন বিকল্প পদ্ধতিতে:

আপনি যদি অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্রের সাইটে নিবন্ধন কিংবা লগইন করে এন আইডি কার্ডটি ডাউনলোড করতে না পারেন তাহলে আপনার মোবাইল অপশন থেকে আপনি ডায়াল করুন (১০৫) নাম্বারে। সেখানে থাকা দায়িত্বগত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে ফোনে মেসেজের মাধ্যমে আপনার এনআইডি কার্ড অনলাইন কপি বা জাতীয় পরিচয় পত্রের অনলাইন কপি ডাউনলোডের লিংকটি পেয়ে যাবেন। আর সেই লিংকে ক্লিক করার মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র টি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আর সেখান থেকেই ডকুমেন্টারি সেভ করে প্রিন্ট করে নিলেই চলবে।

অনলাইনের মাধ্যমে নতুন ভোটার আইডি কার্ড এর জন্য আবেদন করার নিয়ম_ how to apply for new national ID card

18 বছরের মধ্যে যে কেউ যদি বাংলাদেশের বাসিন্দা হয়ে থাকে তাহলে সে ন্যাশনাল আইডি কার্ডের জন্য অর্থাৎ ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে। অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং উত্তর:

আমরা এই পর্যায়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব এন আইডি কার্ড অর্থাৎ জাতীয় পরিচয় পত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে। আর এসব আমরা কপি করছি জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধিত ওয়েবসাইট থেকে। আর আপনাদের জাতীয় পরিচয় পত্র সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন:

১। প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য কিভাবে সংশোধন করা যায়?উত্তরঃ অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

৩। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে?উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

৪। প্রশ্নঃ আমি অবিবাহিত। আমার কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করা যাবে?উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি?উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন আইডি কার্ড থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে?উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে পারি?উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

৮। প্রশ্নঃ আমি আমার পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করতে পারি?উত্তরঃ অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

৯। প্রশ্নঃ আমার আইডি কার্ড এর ছবি অস্পষ্ট, ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার?উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সনদ, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে?উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়ারিশ সনদ, ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়?উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যু সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফর্মে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪। প্রশ্নঃ আমি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে আইডি কার্ড –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?উত্তরঃ আইডি কার্ড এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫। প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি?উত্তরঃ আপনি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭। প্রশ্নঃ আইডি কার্ড এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে?উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে অনলাইন/এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়?উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি?উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০। প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চাই, কিভাবে করতে পারি?উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১। প্রশ্নঃ আমার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আমার কাছে প্রামাণিক কোন দলিল নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে?উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

জাতীয় পরিচয় পত্র হারিয়ে গেলে করণীয়:

আপনারা এ পর্যায়ে জানতে পারবেন জাতীয় পরিচয় পত্রটি যদি আপনাদের হারিয়ে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে কি কি করণীয় হতে পারে। আর নিচে আমরা তাদের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে করণীয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি। আর এসব তথ্য আপনাদের জেনে রাখাটা অনেক ভালো হবে বলে আমরা মনে করি।

১। প্রশ্নঃ আইডি কার্ড হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?উত্তরঃ অনলাইনে পুনরায় মুদ্রণের (রিইস্যু) জন্য আবেদন করুন। আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ড এর কপি ডাউনলোড করে নিন।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?উত্তরঃ হ্যাঁ ফি দিতে হয়। আপনার আবেদনের ফি জানতে এখানে ক্লিক করুন।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?উত্তরঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদর্শিত নয় এমন তথ্য অনলাইন থেকে সংশোধন করতে পারবেন।

জাতীয় পরিচয় পত্র ও নিবন্ধন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা:

আমরা এই পর্যায়ে জানব জাতীয় পরিচয় পত্র ও নিবন্ধন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আপনাদের এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর গুলো জানাটা খুবই জরুরী। আর তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক:-

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?উত্তরঃ আপনি যে কোন সময়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?উত্তরঃ আপনি যে কোন সময়ে রেজিস্ট্রেশনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড পেতে পারি?উত্তরঃ উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে আপনার কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে অনলাইনে রিইস্যু করার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন অনুমোদিত হওয়ার পর আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর অনলাইন থেকে আপনার এনআইডি কার্ড এর কপি ডাউনলোড করে নিন।

৪। প্রশ্নঃ ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কিনা?উত্তরঃ ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

৫। প্রশ্নঃ কোথা হতে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে?উত্তরঃ অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে আইডি কার্ড সংগ্রহ করা যাবে।

৬। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ড কি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?উত্তরঃ অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

৭। প্রশ্নঃ কার্ডে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে কি হবে?উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৮। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।

৯। প্রশ্নঃ বিভিন্ন দলিলে আমার বিভিন্ন বয়স/নাম আছে। কোনটা ভোটার রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?উত্তরঃ এসএসসি অথবা সমমানের পরীক্ষার সনদে উল্লেখিত বয়স ও নাম। ভবিষ্যতে ৫ম/৮ম সমাপনী পরীক্ষার সনদ ও গ্রহণযোগ্য হবে। লেখাপড়া না জানা থাকলে জন্ম সনদ,পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে ও আবেদন করা যাবে।

১০। প্রশ্নঃ আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে কি ডুপ্লিকেট এন্ট্রি সনাক্ত করা সম্ভব?উত্তরঃ হ্যাঁ, সনাক্ত করা সম্ভব।

১১। প্রশ্নঃ এক ব্যক্তির পক্ষে কি একাধিক নামে ও বয়সে একাধিক কার্ড পাওয়া সম্ভব?উত্তরঃ না। একজন একটি মাত্র কার্ড করতে পারবেন। তথ্য গোপন করে একাধিক স্থানে ভোটার হলে কেন্দ্রীয় সার্ভারে আঙুলের ছাপ দ্বারা তা ধরা পড়বে এবং তার বিরুদ্ধে মামলা হবে।

১২। প্রশ্নঃ নতুন ভোটার হওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজ পত্রাদি প্রয়োজন?উত্তরঃ জন্ম নিবন্ধন সনদ, এস.এস.সি বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ (যদি থাকে), ঠিকানা প্রমাণের জন্য কোন ইউটিলিটি বিলের কপি, নাগরিক সনদ, বাবা-মা এবং বিবাহিত হলে স্বামী/স্ত্রীর এনআইডি কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, টিআইএন (TIN) নম্বর (যদি থাকে)।

১৩। প্রশ্নঃ আমি খুব দরিদ্র ও বয়স ১৮ বছরের কম। ১৮ বছরের উপরে বয়স দেখিয়ে একটি আইডি কার্ড পেলে গার্মেন্টেস ফ্যাক্টরিতে বা অন্য কোথাও চাকুরী পেতে পারি। মানবিক কারণে এই পরিস্থিতি বিবেচনা করা যায় কি?উত্তরঃ না। ১৮ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মানবিক বিবেচনার কোন সুযোগ নেই।

১৪। প্রশ্নঃ আমি ভুলে দু’বার রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছি এখন কি করবো?উত্তরঃ যত দ্রুত সম্ভব বিষয়টি সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে লিখিতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা জানান। বর্তমানে Finger Print Matching কার্যক্রম চলছে। অচিরেই সকল Duplicate Entry সনাক্ত করা হবে। উল্লেখ্য, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১৫। প্রশ্নঃ আইডি কার্ড আছে কিন্তু ২০০৮ এর সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। এরূপ সমস্যা সমাধানের উপায় কি?উত্তরঃ অবিলম্বে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন।

১৬। প্রশ্নঃ একজনের কার্ড অন্যজন সংগ্রহ করতে পারবে কিনা?উত্তরঃ অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।

১৭। প্রশ্নঃ আপনারা বিভিন্ন ফর্মের কথা বলেছেন? এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?উত্তরঃ এখন সব আবেদন অনলাইনে করতে পারবেন এবং আবেদনের ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফর্ম অনলাইনে থেকেই সংগ্রহ করতে পারবেন।

১৮। প্রশ্নঃ এই সমস্ত ফর্মের জন্য কোন মূল্য পরিশোধ করতে হয় কি না?উত্তরঃ না।

About admin

Check Also

অনলাইনের মাধ্যমে নতুন ভোটার আবেদন ২০২৩ । NID bd-bdtipsnet.com

অনলাইনের মাধ্যমে নতুন ভোটার আবেদন ২০২৩ । NID bd21

অনলাইনের মাধ্যমে নতুন ভোটার আবেদন ২০২৩ । NID bd এই বিষয়টি নিয়ে আর্টিকেলটি সাজানো হয়েছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *