Breaking News

ফিলিস্তিন সম্পর্কে অবাক করা কিছু তথ্য জেনে নেই

চলুন আমরা জেনে নেই ফিলিস্তানের অবাক করা কিছু তথ্য সম্পর্কে। আপনারা যারা ফিলিস্তিন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের আর্টিকেলটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলছে।

ফিলিস্তিন, প্রাচীন ইতিহাসে একটি এলাকা এবং এটির সাথে সম্প্রতির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো যাক:

1. ভূগোল: ফিলিস্তিন, পূর্ব মধ্যপ্রাচ্যে স্থিত একটি ভূগোলিক অঞ্চল, যা মধ্যপ্রাচ্যে মধ্য পূর্বের মধ্যে সমুদ্রগিরি ইয়র্দান নদ এবং মধ্য পশ্চিমের মধ্যসাগরের মধ্যে অবস্থিত। এই এলাকাটির মুখ্য শহর হলেশ সময় এবং গাজা সিটি।

2. ইতিহাস: ফিলিস্তিন একটি ঐতিহাসিক এলাকা, যা প্রাচীনকালে একেবারে ফিলিস্তিন অথবা কানান নামে পরিচিত ছিল। এই অঞ্চলটি বিভিন্ন সাম্প্রদায়ের মানুষের বাসভূমি ছিল, এবং তাদের ইতিহাসে বৃদ্ধি হয়েছিল।

3. ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ: ইসরাইল ও ফিলিস্তিন মধ্যে দশকের দ্বিতীয় পরপরটি সংঘর্ষের ইতিহাস আছে, যা ইসরাইলের গঠন এবং ফিলিস্তিনী জনগণের অধিকাংশের পালিত জমিদারির মৌলিক অধিকারের উপর ভিত্তি রেখেছে। এই সংঘর্ষে পালেস্তিনী মানুষের অধিকাংশ এখানের জমিদারি এবং স্বায়ত্তশাসনের দাবি করেছেন, যেমনঃ গাজা স্ট্রিপ এবং পশ্চিম তীর ইয়র্দান নদ প্রান্ত।

4. ইউনিটেড নেশনস প্রতিবাদ: ইউনিটেড নেশনস (UN) প্রতিবাদ প্রতিবাদের একটি গোলাপোষণ দেয়, যা ফিলিস্তিনের অধিকাংশ মানুষের অধিকারের সুরক্ষা এবং একটি স্বায়ত্তশাসনের সৃজনকে সাপেক্ষ্য রাখে।

5. গাজা স্ট্রিপ এবং পশ্চিম তীর ইয়র্দান নদ: ফিলিস্তিনের দুটি প্রধান অঞ্চল হলেশ সময় এবং গাজা স্ট্রিপ। এই দুটি অঞ্চলে পালেস্তিনী মানুষের বসবাস রয়েছে, এবং এগুলি ইসরাইলের সাথে সংঘর্ষের কেন্দ্রে থাকে। এই অঞ্চলে ইসরাইলের স্থানীয় প্যালেস্তিনী মানুষের অধিকাংশ আপাতকালীন শরণাপন্ন হয়েছে।

6. শান্তি প্রক্রিয়া: বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অংশগুলি ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করেছে, সবচেয়ে বিখ্যাত হল ওসলো শান্তি প্রক্রিয়া। তবে, সমস্যার সমাধান সংঘটিত হয়নি এবং ইসরাইল-ফিলিস্তিন সম্পর্কে কোনও স্থায়ী সম্পর্ক অবস্থানে নেই।

ফিলিস্তিনের সমস্যা একটি সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলেও, এটি অত্যন্ত জটিল এবং সম্প্রতির বিশেষ ঘটনাগুলির বিস্তারিত অবস্থা উপস্থাপন করে। আমি সাজেশন করব সম্পূর্ণ ও বর্তমান তথ্যের জন্য সম্প্রতির খবর এবং গবেষণা স্তত্ব করা, কারণ সমস্যাটি প্রতিদিন পরিবর্তন করতে পারে।

ফিলিস্তিন কিসের জন্য বিখ্যাত ?

ফিলিস্তিন বিশেষভাবে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষের সাথে সংযুক্ত একটি অঞ্চল, যা বৈশিষ্ট্যমূলকভাবে বিখ্যাত। এই অঞ্চলে দশকের দ্বিতীয় পরপরটি সংঘর্ষ এবং পালেস্তিনী মানুষের অধিকাংশের স্বায়ত্তশাসনের দাবি করার জন্য ইসরাইলের সাথে জড়িত ব্যাপারে অত্যন্ত বিখ্যাত। এছাড়াও, ফিলিস্তিনের জনগণের স্বায়ত্তশাসনের প্রতি বিশেষ একটি সংকটও বিস্তারিত করেছে।

See also  ঈদ মোবারক স্ট্যাটাস ২০২৩ | ঈদ মোবারক শুভেচ্ছা বার্তা, স্ট্যাটাস, ক্যাপশন ও বাণী

ফিলিস্তিনের জনগণের সংগঠিত সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক পরম্পরাগতি আরও এই অঞ্চলটিকে বিখ্যাত করে দেয়েছে। এই এলাকার ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক ধর্ম একত্রিত হয়ে আসে এবং পুরাতাত্ত্বিক খোঁজে এটির এই ভূখণ্ডটির মৌলিক গৌরব ঘোষণা করে।

ফিলিস্তিনের স্বায়ত্তশাসনের সুযোগের দিকে, এই বাংলা সমাজ স্বাধীনতা এবং অধিকারের জন্য প্রতিরক্ষা এবং পালেস্তিনী জাতির অধিকারের উপর স্বায়ত্তশাসনের দাবি করে। এই সংঘটনাগুলির জন্য ফিলিস্তিন বিশেষভাবে বিখ্যাত হয়েছে এবং এই সংঘটনাগুলি বিশ্বজুড়ে জনগণের সমর্থন এবং স্যুপর্ট পেয়েছে।

ফিলিস্তিন এর পূর্ব নাম কি?

ফিলিস্তিনের পূর্ব নাম এই এলাকাটির প্রাচীন নাম ছিল “কানান” (Canaan)। প্রাচীন ইতিহাসে, কানান একটি ঐতিহাসিক এলাকা ছিল, যা বিশেষভাবে এই অঞ্চলটির প্রাচীন নাম হতে সাধারণ ছিল। প্রাচীন কানান এলাকাটির বাসিন্দা বিভিন্ন সাম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন, এবং এটি ব্রোঞ্জ এজে সময়ে ঐতিহাসিক একটি মৌলিক অঞ্চল ছিল। পরবর্তীতে, এই অঞ্চলটি বিভিন্ন ইমপায়ার এবং সাম্রাজ্যের আওতায় আসে, এবং পরবর্তী ইতিহাসে এই অঞ্চলে বিভিন্ন নামের সাম্প্রদায়ি এবং স্থানীয় রাজা শাসন করে।

ফিলিস্তিন নামটি এই অঞ্চলের বর্তমান নাম হল, এবং এটি বিশেষভাবে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষে জড়িত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের বর্তমান সমাজ এবং রাজনৈতিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘর্ষের কেন্দ্রে আছে।

১৯৪৮ সালের আগে ফিলিস্তিন কি ছিল?

ফিলিস্তিনের পূর্ব নাম এই এলাকাটির প্রাচীন নাম ছিল “কানান” (Canaan)। প্রাচীন ইতিহাসে, কানান একটি ঐতিহাসিক এলাকা ছিল, যা বিশেষভাবে এই অঞ্চলটির প্রাচীন নাম হতে সাধারণ ছিল। প্রাচীন কানান এলাকাটির বাসিন্দা বিভিন্ন সাম্প্রদায়ের মানুষ ছিলেন, এবং এটি ব্রোঞ্জ এজে সময়ে ঐতিহাসিক একটি মৌলিক অঞ্চল ছিল। পরবর্তীতে, এই অঞ্চলটি বিভিন্ন ইমপায়ার এবং সাম্রাজ্যের আওতায় আসে, এবং পরবর্তী ইতিহাসে এই অঞ্চলে বিভিন্ন নামের সাম্প্রদায়ি এবং স্থানীয় রাজা শাসন করে।

ফিলিস্তিন নামটি এই অঞ্চলের বর্তমান নাম হল, এবং এটি বিশেষভাবে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষে জড়িত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের বর্তমান সমাজ এবং রাজনৈতিক কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ সংঘর্ষের কেন্দ্রে আছে।

Read More:
ইসরাইল রাষ্ট্রের রাজধানী কোথায় ছিল?
ইসরাইলের রাজধানী সিওন থেকে 1950 সালে ইসরাইলি সরকার দ্বারা যে সময় জাতীয় রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হয়, প্রধানভাবে ইসরাইলের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহরের নাম।

 

See also  নতুন বোরকা ডিজাইন ২০২৩ ছবি ডাউনলোড | অনেকগুলো কালো বোরকার ডিজাইন ২০২৩

ইসরায়েলি ফিলিস্তিন সংঘাতে সহিংসতা থেকে আলোচনার পরিবর্তন 1990 এর দশকে এই অঞ্চলের পরিবর্তনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছিল

1990 এর দশকে, ইসরাইলি-ফিলিস্তিন সংঘাতে সহিংসতা থেকে আলোচনা এবং পরিবর্তনের প্রয়োগ ব্যাপকভাবে এই অঞ্চলের সমাজ এবং রাজনৈতিক দিক দিয়ে প্রভাবিত করেছে:

1. ওস্লো শান্তি প্রক্রিয়া: 1993 সালে, ইসরাইল এবং প্যালেস্তিনী মানুষের প্রতিনিধিত্বে ওস্লো শান্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ার ফলে, ইসরাইল পশ্চিম তীর ইয়র্দান নদ প্রান্তে কিছু আয়তনের প্রাথমিক স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছিল। এটি পালেস্তিনী প্রাধিকৃত অঞ্চলে একটি প্রাথমিক সরকার স্থাপনের দাবি করে ছিল।

2. গাজা স্ট্রিপের স্থিতি: 2005 সালে, ইসরাইল গাজা স্ট্রিপ থেকে সেনা এবং দখলদারি বাতিল করে অল্প ব্যত্যাস থেকে সরে যাওয়া দিয়েছিল। এটি গাজা স্ট্রিপের নাগরিক জীবনের প্রয়াত্ন বৃদ্ধির একটি সংকেত ছিল এবং এটি পালেস্তিনী সমাজে বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রভাবিত করেছিল।

3. বাড়তি দান এবং সহায়তা: বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং দেশগুলি ফিলিস্তিনে বাড়তি দান এবং সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে রাস্তার দিয়েছে, যা পালেস্তিনী মানুষের জীবনে সুধারে এবং অশিক্ষা, স্বাস্থ্য, এবং অর্থনৈতিক সুযোগ সৃজন করেছে।

4. সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া: সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, পালেস্তিনী সমাজ এবং ইসরাইলি সরকার মধ্যে বৈঠকের সৃজনকে বৃদ্ধি দেয়। এই প্রক্রিয়ার সাথে, বিভিন্ন পালেস্তিনী সম্প্রদায় এবং ইসরাইলি সরকার মধ্যে সম্প্রতিক যায়গায় সামাজিক এবং রাজনৈতিক দালিল বিতর্কের দ্বারা আলোচনা হয়।

এই সময়ের পরিবর্তন গাজা স্ট্রিপের মধ্যে দ্বন্দ্বপূর্ণ সংঘাত ও বিশেষভাবে ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতে নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধানে সাহায্য করেনি, তবে এই সময়ের পরিবর্তন এই অঞ্চলে একটি বৃদ্ধির আঙ্গুল দিয়েছে এবং সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ ও সম্প্রেষণে সাহায্য করেছে।

ইসরাইল ফিলিস্তিন সংঘাতের মূল কারণ কি?

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাতের মূল কারণ একটি অত্যন্ত জটিল এবং বিশেষভাবে ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক সমস্যার সম্মিলিত সেটি। এই সংঘাতের মূল কারণের মধ্যে নিম্নলিখিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাবস্ট্যান্টিয়াল উল্লিখিত হতে পারে:

1. ভূগোলিক দৃষ্টিকোণ: ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন দুটি স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠান একসাথে একটি ছোট এলাকায় অবস্থিত, যা এই দুটি সাবপ্রান্তে আস্থাবান সমাজের মধ্যে পারদ তৈরি করে। এই ভূগোলিক দৃষ্টিকোণে স্থানীয় আসপাসের সংঘাত এবং অধিকাংশ আস্থাবান বসবাস বিশেষ অধিকারের সাথে সম্পর্কিত।

2. ঐতিহাসিক বাক্য: ইসরাইল এবং ফিলিস্তিন এই অঞ্চলে একটি ঐতিহাসিক আস্থাবান সমাজের প্রাচীন অধিকাংশের স্বায়ত্তশাসনের দাবি করে। ইসরাইল অবস্থিতি এবং বাসভূমি সম্পর্কে বৃদ্ধি হয়েছে, এবং এই বিষয়টি এই সংঘাতের একটি মূল সংঘাতের সূচনা করে।

See also  বাংলা বর্ষপঞ্জি ১৪৩০ | বাংলা ক্যালেন্ডার ২০২৩ | Bangla Calendar 2023

3. রাজনৈতিক বিদ্বেষ: ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক বিদ্বেষ এবং মুদ্রণের সমস্যাও এই সংঘাত কারণ হিসেবে দাবী করা হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সমস্যার সমাধান এবং এই সংঘাতের সমাধানে অশক্তি এবং রাজনৈতিক দালিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবন্ধক হিসেবে প্রভাব ফেলেছে।

4. প্রবাসী প্রশ্ন: পালেস্তিনী প্রবাসী সম্প্রদায় এই সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক গুলির মধ্যে একটি। বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, এবং আসথাবান সমাজে পালেস্তিনী প্রবাসীদের অধিকাংশ সমস্যা সম্মুখীন হয়, এবং এই সমস্যার সমাধান এই সংঘাতের সৃজনকে কঠিন বানিয়েছে।

5. ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক সংঘাত: ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক সংঘাত এই সংঘাতে একটি অপর্যাপ্ত দিক হিসেবে সৃজন করে। এই সংঘাতের সমাধানে বিভিন্ন ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক সম্প্রদায় মধ্যে সম্ঝোষণ ব্যাপকভাবে প্রয়োজন।

এই সমস্যাগুলি সমাধান করতে একটি সমাধানের যাদের দ্বারা ইসরাইল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে শান্তি এবং সমঝোতা সাধার্ন অসম্ভাব বলা হয়, যা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন এবং সাম্প্রতিক প্রয়াত্নের মাধ্যমে সম্ভাব হতে পারে।

অবৈধ দখলদার রাষ্ট্র কোনটি?

“অবৈধ দখলদার রাষ্ট্র” বা “অবৈধ দখলদার প্রতিষ্ঠান” সাধারণভাবে এমন একটি স্থান বোঝায় যেখানে সম্প্রদায় বা সাশ্বস্ত্য প্রতিষ্ঠানের দ্বারা স্বাধীন সরকার স্থাপন করা হয়েছে কিন্তু এটি আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে প্রমাণিত এবং স্বাধীন দরকার স্থাপন অনুমোদন পেয়েনি। এই অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রগুলি সাধারণভাবে অত্যন্ত বিতর্কিত এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে পরাজিত স্থানের হয়ে থাকে।

সবচেয়ে পরিচিত অবৈধ দখলদার রাষ্ট্র পালেস্তিনী প্রাধিকৃত অঞ্চল (গাজা স্ট্রিপ এবং পশ্চিম তীর ইয়র্দান নদ প্রান্ত) হতে পারে, যেটি ইসরাইল দ্বারা নির্মিত বেগুনি প্রাধিকৃত অঞ্চলে বাসিন্দাদের জন্য স্বাধীন সরকার স্থাপন করেছে, কিন্তু এটি এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। এটি ইসরাইল এবং পালেস্তিনি সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এবং পালেস্তিনী স্বাধীনতা সংগঠনের (প্লস্টিনিয়ান এবং হামাস) নির্মিত সরকারের অস্থায়ি বা অপথ্যের একটি প্রয়োজন হিসেবে বোঝা হয়ে থাকে।

অবৈধ দখলদার রাষ্ট্রের প্রতি আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে বেশ কঠিন স্থানের স্থাপনা ও পরিচালনা সম্পর্কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের মতামত ও প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে, এবং এই সমস্যাগুলি আন্তর্জাতিক প্রয়োজনে প্রশাসনিক এবং আইনি চ্যালেঞ্জ উত্পন্ন করে।

About admin

Check Also

অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা ডাউনলোড করার নতুন নিয়ম-২০২৩ । eporcha govt bd-bdtipsnet (2)

অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা ডাউনলোড করার নতুন নিয়ম-২০২৩ । eporcha govt bd

অনলাইনে জমির খতিয়ান বা পর্চা ডাউনলোড করার নতুন নিয়ম-২০২৩ । eporcha govt bd ইত্যাদি বিষয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *